Views Bangladesh Logo
author image

শাহাদাত হোসেন তৌহিদ

  • অ্যাডিটরিয়াল অ্যাসিসট্যান্ট

  • থেকে

শাহাদাত হোসেন তৌহিদ: অ্যাডিটরিয়াল অ্যাসিসট্যান্ট
মহান মুক্তিযুদ্ধ: সাধু সুধারাম ও তার বিশ ভক্তকুলকে হত্যা
মহান মুক্তিযুদ্ধ: সাধু সুধারাম ও তার বিশ ভক্তকুলকে হত্যা

মহান মুক্তিযুদ্ধ: সাধু সুধারাম ও তার বিশ ভক্তকুলকে হত্যা

শ্রী শ্রী সুধারাম বাবা এক হিন্দু সাধক। পুরান ঢাকার মানুষের কাছে তিনি বেশ পরিচিত হলেও সারা দেশে রয়েছে তার অগনিত ভক্ত-শিষ্য। হিন্দু সাধক হলেও মুসলমানদের কাছেও তিনি শ্রদ্ধার। তার সম্পর্কে কোনো পুস্তক না থাকলেও স্থানীয়দের মুখে মুখে অনেক কথা প্রচলিত রয়েছে। পুরান ঢাকার লোকমুখে শোনা যায়, ১৯৫০-৫২ সালের দিকে তিনি সূত্রাপুরে আসেন। কোথায় তার জন্ম, কোত্থেকে এলেন কেউ জানতেন না। তার কোনো ঘর-বাড়ি ছিল না। ভক্তরাই তাকে আশ্রয় দিতেন বা নিয়ে যেতেন। যাকে তার পছন্দ হতো তার বাড়িতে তিনি থাকতেন। এভাবে পুরান ঢাকার বিভিন্ন বাড়িতে তিনি থাকতেন। অধিকাংশ সময় থেকেছেন সূত্রাপুরে শ্রীধাম পাল নামে এক ভক্তের বাড়িতে। সেই বাড়িতে গড়ে ওঠে সুধারাম বাবার আশ্রম।

বইমেলা শেষ হলেও বিক্রির হিসাবে কাটছে না ধোঁয়াশা
বইমেলা শেষ হলেও বিক্রির হিসাবে কাটছে না ধোঁয়াশা

বইমেলা শেষ হলেও বিক্রির হিসাবে কাটছে না ধোঁয়াশা

অমর একুশে বইমেলা-২০২৫ শেষ হয়েছে ক্রেতার কম উপস্থিতি এবং নানা আশঙ্কার মধ্যদিয়ে। তবে, প্রতি বছর মেলার শেষ দিনে বাংলা একাডেমি বইমেলার মোট বিক্রির পরিমাণ জানালেও এবারের বইমেলায় বিক্রির হিসাব এখন পর্যন্ত প্রকাশ করা হয়নি যা নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে নানা প্রশ্ন ও ধোঁয়াশা।

মেলায় বই বিক্রিতে ‘চরম হতাশ’ প্রকাশকরা
মেলায় বই বিক্রিতে ‘চরম হতাশ’ প্রকাশকরা

মেলায় বই বিক্রিতে ‘চরম হতাশ’ প্রকাশকরা

অধিকাংশ প্রকাশক বলছেন, গত বছরের তুলনায় বিক্রি এবার প্রায় অর্ধেক। করোনার সময়ও এর চেয়ে বেশি বই বিক্রি হয়েছে। মেলার শেষ দিন শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) প্রকাশক-লেখকরা বই বিক্রিতে হতাশার কথা জানিয়েছেন।

কেন বাড়ছে কমিকস বইয়ের চাহিদা
কেন বাড়ছে কমিকস বইয়ের চাহিদা

কেন বাড়ছে কমিকস বইয়ের চাহিদা

শিশু-কিশোর পাঠকের কাছে রহস্য, রোমাঞ্চ আর ভৌতিক গল্পকাহিনীর পাশাপাশি তুমুল জনপ্রিয়তা অর্জন করে চলছে কমিকস বই। বলা যায়, অমর একুশে বইমেলার অন্যতম আকর্ষণ কমিকস বই।

বইমেলায় খুব একটা সাড়া পাচ্ছেন না চিত্রশিল্পীরা
বইমেলায় খুব একটা সাড়া পাচ্ছেন না চিত্রশিল্পীরা

বইমেলায় খুব একটা সাড়া পাচ্ছেন না চিত্রশিল্পীরা

অমর একুশে বইমেলার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের প্রবেশমুখে যে কোন দর্শকদের চোখে পড়বে চিত্রশিল্পীদের ছোট ছোট ব্যানার। ব্যানারে লেখা আছে ‘এখানে মাত্র ৫-১০ মিনিটে সরাসরি আপনার ছবি আঁকা হয়।’ ফুটপাতে টুলের ওপর বসে আছেন, এমন কয়েকজন চিত্রশিল্পীদের দেখা যাবে। তাদের সামনে স্থির হয়ে বসে আছেন, যারা নিজেদের ছবি আঁকতে চান। মূলত এখানে পোট্রেট আঁকা হয়। একটা ছবির বিনিময়ে তারা ৫০০ থেকে শুরু করে ৮শ ১ হাজার টাকা সৌজন্য নেন। তবে ফোন থেকে দেখে আঁকার ক্ষেত্রে খরচটা একটু বেশি। কারো কাছে টাকা না থাকলে তাদের কাজ ২০০ টাকায়ও করে দেয় তারা। এসবকে কেন্দ্র করেই তারা জীবিকা নির্বাহ করে। এবারও বইমেলার প্রবেশমুখে ৮-১০ জন চিত্রশিল্পীর দেখা মিলল। এ যেন মেলার মধ্যে আলাদা এক আকর্ষণের জন্ম দিয়েছে।

বসন্ত আর প্রেমে মুখর বইমেলা
বসন্ত আর প্রেমে মুখর বইমেলা

বসন্ত আর প্রেমে মুখর বইমেলা

ছুটির দিন শুক্রবার (১৪ ফেব্রুয়ারি)। স্বভাবতই এদিন বইমেলায় পাঠক ও দর্শনার্থীদের ভিড় চোখে পড়ে। তবে এবার এদিন একই সঙ্গে ফাল্গুন ও ভালোবাসা দিবস হওয়ায় বইমেলা হয়ে উঠেছে লোকে-লোকারণ্য। সকাল থেকেই বইমেলায় প্রবেশমুখে ছিল বিশাল লাইন। দর্শনার্থীদের অধিকাংশই তরুণ-তরুণী। তরুণদের পরনে লাল, নীল, সাদা বাহারি রঙের পাঞ্জাবি। তরুণীদের পরনে বিভিন্ন রঙের শাড়ি, ব্লাউজ, রঙ-বেরঙের চুড়ি। খোঁপায় সাদা-লাল ফুলের মালা। হাতে ফুলের তোড়া, মাথায় ফুলের ব্যান, গলায় ফুলের মালা। তরুণ-তরুণীরা একে অপরের হাত ধরে হাঁটছেন, গল্পে মেতে উঠছেন আর ছবি তুলছেন।