Views Bangladesh Logo

নারী ক্ষমতায়নের অর্থনৈতিক তাৎপর্য জিডিপি প্রবৃদ্ধির বাইরেও অস্তিত্বশীল

৭২.৯২ মিলিয়ন জনসংখ্যার বাংলাদেশ দক্ষিণ এশীয়ার একটি ছোট দেশ। গত কয়েক দশকে দেশটি উন্নয়নের একটি সাফল্যের গল্প হিসেবে বর্ণিত হয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশে নারী জনসংখ্যা ৮৮.০৭ মিলিয়ন যা পুরুষ জনসংখ্যা ৮৪.৮৫ মিলিয়নের চেয়ে কিছুটা বেশি। সঙ্গতকারণেই নারীরা দেশের জনসংখ্যাগত এবং অর্থনৈতিক বাস্তবতার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তা সত্ত্বেও শিক্ষা, কর্মসংস্থান এবং পেশাগত প্রতিনিধিত্বে লিঙ্গবৈষম্য এখনো প্রকট যা নারীদের অর্থনৈতিকভাবে ক্ষমতায়নের জন্য আরও বেশি উদ্যোগ গ্রহণের প্রয়োজনীয়তাকে তুলে ধরে। নারী ক্ষমতায়ন শুধুমাত্র সামাজিকভাবে আবশ্যক নয়, এটি বাংলাদেশের জন্য একটি অর্থনৈতিক অপরিহার্যতা। বিভিন্ন অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নারীদের অংশগ্রহণ এবং তাদের অগ্রগতিতে বাধাগুলো দূর করে দেশটি উল্লেখযোগ্য অর্থনৈতিক সম্ভাবনা উন্মোচন করতে পারে এবং ত্বরান্বিত করতে পারে উন্নয়নের গতিকে।

বাংলাদেশ কিছু কিছু ক্ষেত্রে লিঙ্গ সমতা উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। উদাহরণস্বরূপ, নারীদের গড় আয়ু ৭৩.৮ বছর যা পুরুষদের গড় আয়ু, ৭০.৮ বছর এর চেয়ে বেশি। আবার, মেয়ে শিশু মৃত্যুর হার প্রতি ১,০০০ জীবিত-জন্মে ২৪ যা ছেলে শিশু মৃত্যুর হার (প্রতি ১,০০০ জীবিত-জন্মে ৩০) এর চেয় কম। এই সূচকগুলো স্বাস্থ্যসেবা এবং মাতৃ ও শিশু কল্যাণে উন্নতির প্রতিফলন। তবে, শিক্ষা এবং কর্মসংস্থানের মতো অন্যান্য ক্ষেত্রে বৈষম্যগুলো অব্যাহত রয়েছে। নারীদের সাক্ষরতার হার ৭৫.৮% যা পুরুষদের সাক্ষরতার হার ৮০.১% এর চেয়ে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কম। নিম্ন সাক্ষরতার হার উচ্চ বেতনের চাকরি এবং নেতৃত্বের পদে নারীদের প্রবেশকে সীমাবদ্ধ করে। এছাড়াও নারীদের শ্রমশক্তিতে অংশগ্রহণের হার (৪১.৫৬%) পুরুষদের অংশগ্রহণের হার (৮০.৬৫%) এর প্রায় অর্ধেক যা অর্থনৈতিক সম্পৃক্ততার ক্ষেত্রে একটি বড় ব্যবধান নির্দেশ করে।

পেশাগত তথ্য বিশ্লেষণ করলে শ্রমশক্তিতে লিঙ্গবৈষম্য আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। নারীরা কম বেতনের শ্রম-নিবিড় খাত যেমন কৃষি, বনায়ন এবং মৎস্য কাজে বেশি অংশগ্রহণ করেন যেখানে মোট নারী শ্রমশক্তির ৭৫%-ই এই খাতে নিয়োজিত। এখনো যে নারীদের শ্রমেই এ দেশের নাগরিকদের মৌলিক খাদ্যের জোগান সৃষ্টি হয় তা বেশিরভাগ মানুষেরই অজানা। অন্যদিকে উচ্চ বেতনের পদসমূহে নারীরা মারাত্মকভাবে কম প্রতিনিধিত্ব করেন। যেমন ব্যবস্থাপনামূলক পদে মোট নারী শ্রমশক্তির ০.৩%, পেশাদার পদে ৪% এবং প্রযুক্তিগত পদে মাত্র ০.৯% নারী নিয়োজিত রয়েছেন। এই পেশাগত বিভাজন উদ্ভবের কারণ গভীরভাবে গ্রথিত রয়েছে সামাজিক প্রথাসমূহে যা নারীর জন্য একধরনের কাঠামোগত বাধার প্রতিফলন। একই সঙ্গে তা নারীদের অর্থনৈতিক গতিশীলতাকে সীমিত করে এবং প্রথাগত লিঙ্গবৈষম্যমূলক ধ্যান-ধারণাসমূহকে পুনর্ব্যক্ত করে।

নারীদের অর্থনৈতিকভাবে ক্ষমতায়ন করা বাংলাদেশের উন্নয়নে সুদূরপ্রসারী ভূমিকা রাখতে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে যে, শ্রমশক্তিতে নারীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি জিডিপিকে উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়াতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, ম্যাককিনসে গ্লোবাল ইনস্টিটিউট তাদের গবেষণায় দেখতে পায় যে, শ্রমশক্তিতে লিঙ্গ সমতা অর্জন করা হলে ২০২৫ সালের মধ্যে বিশ্ব জিডিপিতে ১২ ট্রিলিয়ন ডলার যোগ হতে পারে। এই সূত্রেই ধারণা করা যায় যে, বাংলাদেশে যেহেতু নারীরা জনসংখ্যার অর্ধেকের বেশি, তাই কর্মসংস্থানে লিঙ্গ ব্যবধান দূর করা হলে বিলিয়ন ডলারের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা উন্মোচিত হতে পারে।

নারীদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন পরিবারের মধ্যে সম্পদের বণ্টনকে উন্নত করার পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব সৃষ্টি করে। নারীরা তাদের আয়ের একটি বড় অংশ শিশুদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং পুষ্টির জন্য ব্যয় করেন যা পুরুষদের তুলনায় বেশি। এটি একটি ইতিবাচক প্রভাব তৈরি করে যা একটি স্বাস্থ্যবান, শিক্ষিত এবং উৎপাদনশীল ভবিষ্যৎ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে সাহায্য করে। বাংলাদেশের মতো একটি দেশে, যেখানে শিশুমৃত্যুর হার এবং সাক্ষরতার ব্যবধান এখনো একটি বড় চ্যালেঞ্জ, সেখানে নারীদের ক্ষমতায়ন এই সমস্যাগুলোর যেমনি সমাধান করতে পারে তেমনি পারে দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করতে।

বাংলাদেশের ম্যানুফেকচারিং খাতের শ্রমশক্তিতে নারীদের ভূমিকা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। অতিক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র, মাঝারি এবং বৃহৎ শিল্পে নারীরা মোট শ্রমশক্তির ৪৩.৯% গঠন করেন, যেখানে বৃহৎ শিল্পে তাদের অংশগ্রহণ বিশেষভাবে লক্ষণীয়। পরিসংখ্যান অনুযায়ী বৃহৎ শিল্পের মোট ৩.৬৭ মিলিয়ন কর্মীর মধ্যে ২.০২ মিলিয়নই নারী শ্রমিক। এটি মূলত তৈরি পোশাক খাতে মেয়েদের আধিপত্যের কারণে হয়েছে। এই খাতের ছোট-বড় মিলিয়ে বিভিন্ন কারখানায় মোট ৪ মিলিয়নেরও বেশি শ্রমিক কর্মে নিয়োজিত, যার মধ্যে ৮০% নারী। তৈরি পোশাকশিল্প বাংলাদেশের রপ্তানি খাতের মেরুদণ্ডস্বরূপ যা দেশের মোট রপ্তানি আয়ের ৮০%-এর বেশি অর্জন করে থাকে। এই খাতে নারীদের অবদান বাংলাদেশকে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় পোশাক রপ্তানিকারক দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

তৈরি পোশাকশিল্প বাংলাদেশের নারীদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে গভীর প্রভাব ফেলেছে। লক্ষাধিক আনুষ্ঠানিক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করে এই শিল্প দারিদ্র্য বিমোচন এবং প্রচলিত লিঙ্গভিত্তিক আচরণগুলোকে চ্যালেঞ্জ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। আরএমজি খাতে নিয়োজিত অধিকাংশ নারীই তাদের পরিবারের মধ্যে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা বৃদ্ধি, আর্থিক স্বাধীনতা এবং তাদের সন্তানদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ বৃদ্ধির কথা জানান।

তবে, তৈরি পোশাকশিল্পে নারীদের জন্য উপযুক্ত কাজের পরিবেশ এবং ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতাগুলো রয়ে গেছে। শক্তিশালী শ্রম আইন ও তার যথাযথ প্রয়োগ ব্যবস্থা এবং কর্পোরেট জবাবদিহিতার মাধ্যমে যদি এই সমস্যাগুলো সমাধান করা যায় তাহলে এই খাত নারী ক্ষমতায়নের অবদানকে আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে।

উল্লেখযোগ্য অবদান রাখা সত্ত্বেও, বাংলাদেশের নারীরা পূর্ণ অর্থনৈতিক অংশগ্রহণের পথে অনেক বাধার সম্মুখীন হন। সবচেয়ে জরুরি চ্যালেঞ্জগুলোর মধ্যে একটি হলো শিক্ষায় লিঙ্গ ব্যবধান। সামগ্রিক সাক্ষরতার হার বৃদ্ধি পেলেও, বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকায় ছেলে এবং মেয়েদের শিক্ষার মধ্যে একটি লক্ষণীয় পার্থক্য রয়েছে। এটি নারীদের উচ্চ বেতনের চাকরি এবং নেতৃত্বের পদে প্রবেশের সুযোগ সীমিত করে যার ফলে অনেক নারীকে কম দক্ষতাসম্পন্ন, অনানুষ্ঠানিক বা অবৈতনিক কাজে নিয়োজিত হতে হয়।

সামাজিক নিয়ম এবং সাংস্কৃতিক প্রত্যাশাও নারীদের অর্থনৈতিক সুযোগকে সীমিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। প্রচলিত লিঙ্গ ভূমিকাগুলো প্রায়শই নারীদের বেতনভুক্ত কাজের চেয়ে ঘরের দায়িত্বকে অগ্রাধিকার দিতে উৎসাহিত করে যার ফলে শ্রমশক্তিতে তাদের অংশগ্রহণের হার কমে যায়। এছাড়াও, যেসব নারী কাজের জগতে প্রবেশ করেন তারা প্রায়শই পক্ষপাত, হয়রানি এবং অসমান বেতনের মুখোমুখি হন যা তাদের অর্থনৈতিক সম্পৃক্ততাকে নিরুৎসাহিত করে।

প্রতিবন্ধী নারীরা আরও বেশি প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হন। তথ্য অনুসারে, প্রতিবন্ধী মেয়ে শিশুদের মধ্যে মাত্র ২.৩২% রিপোর্ট করা হয়, যেখানে প্রতিবন্ধী ছেলে শিশুদের ক্ষেত্রে এই হার ৩.২৮%। এই ব্যবধানটি সম্ভাব্য আন্ডাররিপোর্টিং এবং প্রান্তিককরণের ইঙ্গিত দেয়, কারণ প্রতিবন্ধী নারীরা প্রায়শই শিক্ষা, কর্মসংস্থান এবং স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে বহুমুখী বাধার সম্মুখীন হন।

নারীদের পূর্ণ অর্থনৈতিক সম্ভাবনা কাজে লাগানোর জন্য বাংলাদেশকে লিঙ্গবৈষম্যের মূল কারণগুলোর সমাধানে বহুমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। নিম্নলিখিত কৌশলগুলো ব্যবধান দূর করতে এবং একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতি গড়ে তুলতে সাহায্য করতে পারে:

১. শিক্ষা এবং বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণের সুযোগ বৃদ্ধি: মেয়েদের জন্য মানসম্মত শিক্ষার সুযোগ প্রসারিত করলে তা সাক্ষরতার ব্যবধান দূর করতে এবং উচ্চ বেতনের চাকরির জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জনে সহায়তা করবে। একইসঙ্গে চাহিদা অনুযায়ী নারীদের জন্য বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ কর্মসূচির ব্যবস্থা করলে স্বাস্থ্যসেবা, প্রযুক্তিনির্ভর প্রতিষ্ঠান এবং আর্থিক সংস্থাসমূহের মতো উচ্চ প্রবৃদ্ধিসম্পন্ন খাতে তাদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি পাবে যা সার্বিকভাবে নারী ক্ষমতায়নে ভূমিকা রাখবে।

২. কর্মক্ষেত্রে লিঙ্গ সমতা প্রচার: কর্মক্ষেত্রে বেতন সমতা, পক্ষপাত ও হয়রানিবিরোধী নীতি গ্রহণ করা একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক শ্রমশক্তি গড়ে তোলার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলোকে মহিলা কর্মীদের মর্যাদা নিশ্চিত করে এইরকম নীতি গ্রহণে উৎসাহিত করা এবং নারীদের নিয়োগ ও পদোন্নতিতে প্রণোদনা প্রদান করা পেশাগত বিভাজন কমাতে সাহায্য করতে পারে।

৩. ক্ষুদ্র ঋণ এবং উদ্যোক্তা সুযোগ প্রসারিত করা: বাংলাদেশের গ্রামীণ এলাকায় ক্ষুদ্র ঋণ ইতোমধ্যেই নারীদের ক্ষমতায়নে সফলতা অর্জন করেছে। ঋণের সুযোগ বৃদ্ধি, আর্থিক বিষয়ে প্রশিক্ষণ কর্মসূচি এবং উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণ প্রসারিত করা হলে আরও অনেক বেশি নারী তাদের নিজস্ব ব্যবসা শুরু করতে এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নে অবদান রাখতে সক্ষম হবে।

৪. সাংস্কৃতিক প্রথা এবং বাঁধাধরা চিন্তা মোকাবিলা করা: নারীদের ভূমিকা সম্পর্কে সামাজিক মনোভাব পরিবর্তন করা দীর্ঘমেয়াদি অগ্রগতির জন্য অপরিহার্য। সচেতনতামূলক প্রচারাভিযান, বিভিন্ন সম্প্রদায়ের সম্পৃক্ততা এবং মিডিয়ার যথাযথ ভূমিকা প্রথাগত লিঙ্গ ধারণাগুলোকে দুর্বল করতে এবং নারীদের অবদানের একটি বৈশ্বিক দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি করতে সাহায্য করতে পারে।

৫. আইনি এবং নীতিগত কাঠামো শক্তিশালীকরণ: শিশুবিবাহ, নারীর প্রতি যে কোনো ধরনের সহিংসতা এবং কর্মক্ষেত্রে বৈষম্যের বিরুদ্ধে আইন প্রয়োগ করা নারীদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের জন্য একটি অনুকূল পরিবেশ তৈরি গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি, মাতৃত্বকালীন ছুটি এবং সাশ্রয়ী মূল্যের শিশু-যত্ন কেন্দ্র স্থাপনের মতো নীতি গ্রহণ করা হলে তা নারীদের পেশাগত এবং ব্যক্তিগত দায়িত্বের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করতে পারে।

নারী ক্ষমতায়ন বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের একটি প্রয়োজনীয় স্তম্ভ। ৮৮.০৭ মিলিয়ন নারীর জনসংখ্যা দেশের উন্নয়ন এবং সমৃদ্ধির জন্য একটি বিশাল সম্ভাবনার উৎস। শিক্ষা, কর্মসংস্থান এবং উদ্যোক্তা সৃষ্টির ক্ষেত্রে নারীদের অংশগ্রহণের প্রতিবন্ধকতাগুলো দূর করে বাংলাদেশ তার নারী জনগোষ্ঠীর অর্থনৈতিক অবদান কাজে লাগাতে পারে এবং একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও প্রসারমাণ অর্থনীতি গড়ে তুলতে পারে।

নারী ক্ষমতায়নের অর্থনৈতিক তাৎপর্য জিডিপি প্রবৃদ্ধির বাইরেও অস্তিত্বশীল। এটি পরিবারের কল্যাণ উন্নত করে, দারিদ্র্য হ্রাস করে এবং একটি সমতাপূর্ণ সমাজ গড়ে তুলতে সাহায্য করে। বাংলাদেশ যখন একটি মধ্য আয়ের দেশে পরিণত হচ্ছে তখন নারীর ক্ষমতায়ন টেকসই বিনিয়োগ এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন অর্জনের জন্য অপরিহার্য। এখনই পদক্ষেপ নেয়ার সময় এসেছে। নারীর ক্ষমতায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশ তার সব নাগরিকের জন্য একটি উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে পারে।

ড. মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন, অর্থনীতির শিক্ষক।

মতামত দিন

মন্তব্য করতে প্রথমে আপনাকে লগইন করতে হবে

ট্রেন্ডিং ভিউজ