Views Bangladesh Logo
author image

সিরাজুল ইসলাম

  • সাংবাদিক

  • থেকে

সিরাজুল ইসলাম: সাংবাদিক
চলুন সবাই বরগুনা যাই
চলুন সবাই বরগুনা যাই

চলুন সবাই বরগুনা যাই

হাজারো ঘটনার ভিড়ে শিশু আইলান কুর্দিকেও হয়তো আমরা ভুলে গেছি। ২০১৫ সালের ৩ সেপ্টেম্বর ইউরোপে পাড়ি জমানোর সময় ভূমধ্যসাগরে নৌকা ডুবে শিশুটি মারা যায়। তুরস্কে সাগরের তীরে বালুতে মুখ গুঁজে পড়েছিল তার লাশটি। ছবিটি বিশ্বের শীর্ষ স্থানীয় প্রায় সব পত্রপত্রিকা ছেপেছিল। এই ছবিটি সারা বিশ্বকে নাড়িয়ে দিয়েছিল। বিশ্ব নেতারা তার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছিলেন, ভালোবাসা দেখিয়েছিলেন। তিন বছর বয়সী আইলান কুর্দির সঙ্গে তার তার বড় ভাই ৫ বছরের গালিব কুর্দি এবং তাদের মা রেহানা মারা যান ওই দুর্ঘটনায়।

ভোক্তার অধিকার কতটা সংরক্ষণ হচ্ছে?
ভোক্তার অধিকার কতটা সংরক্ষণ হচ্ছে?

ভোক্তার অধিকার কতটা সংরক্ষণ হচ্ছে?

বিশ্বের সব দেশেই ব্যবসায়ীদের আলাদা সম্মানের চোখে দেখা হয়। আমাদের দেশেও তা-ই; কিন্তু সিংহভাগ ব্যবসায়ী গ্রাহক ঠকাতে সিদ্ধহস্ত। ভেজাল পণ্য বিক্রি, ওজনে কম দেয়া, অতিরিক্ত মুনাফা এমন নানা অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। অথচ ভোক্তা অধিকার মানবাধিকারের একটি। এটি নাগরিক অধিকারও বটে। এই অধিকার থেকে আমরা প্রতিনিয়ত বঞ্চিত হচ্ছি। ভেজাল পণ্য ব্যবহার করে আমরা নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছি। নিভে যাচ্ছে জীবন প্রদীপ। বিড়ম্বনা তো আছেই। সঠিকভাবে মূল্য পরিশোধ করার পরও তাকে সঠিক পণ্য, সঠিক সেবা দেয়া হয় না। শুধু কী তাই? না। এই ব্যবসায়ীদের কাছে ঠকছে সরকারও। পণ্যের মূল্য সংযোজন কর (মূসক) গ্রাহকের কাছ থেকে নিলেও তারা সঠিকভাবে সরকারের কোষাগারে জমা দিচ্ছেন না। কর ফাঁকি তো চলছে পুরোদমে।

স্থানীয় সরকারে শূন্যতা : জনদুর্ভোগের শেষ কোথায়?
স্থানীয় সরকারে শূন্যতা : জনদুর্ভোগের শেষ কোথায়?

স্থানীয় সরকারে শূন্যতা : জনদুর্ভোগের শেষ কোথায়?

কালের পরিক্রমায় অনেক কিছুই বদলে যায়। এটা খারাপ কিছু নয়; অস্বাভাবিকও নয়। তবে গত ৫ আগস্ট রাজনীতির পটপরিবর্তনের পর স্থানীয় সরকারে যে পরিবর্তন হয়েছে সেটা ভালো কিছু বয়ে আনেনি। সিটি করপোরেশন; ৬১ জেলা পরিষদ (তিন পার্বত্য জেলা ব্যতীত); উপজেলা পরিষদ ও পৌরসভার সব মেয়র ও কাউন্সিলরকে কলমের এক খোঁচায় বরখাস্ত করা হয়েছে। ফলে এসব প্রতিষ্ঠান এখন জনপ্রতিনিধিশূন্য। সেখানে সরকার প্রশাসক নিয়োগ দিলেও ন্যূনতম সেবা মিলছে না। প্রশাসকরা কেবল ‘রুটিন ওয়ার্ক’ করছেন। ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান-মেম্বারদের বরখাস্ত করা হয়নি বটে; তবে তাদের সিংহভাগ পলাতক। কারণ তারা গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত শাসক দল আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ছিলেন। ফলে জন্ম-মৃত্যু সনদ, ওয়ারিশ সনদ, নাগরিক সনদের মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা মিলছে না। দিনের পর দিন সেবাপ্রার্থীকে ঘুরতে হচ্ছে। তাদের কণ্ঠে এখন ক্ষোভ আর হতাশার সুর। অনেক স্থানে নিয়মিত ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করা হচ্ছে না। রাস্তাঘাট ভেঙে গেছে। সেগুলো মেরামতের উদ্যোগ নেই।