Views Bangladesh Logo

দেশ ও রাজনীতি

বিদেশি ভাষা ব্যবহারে জাতীয় ভাষানীতি অবলম্বন করতে হবে
বিদেশি ভাষা ব্যবহারে জাতীয় ভাষানীতি অবলম্বন করতে হবে

দেশ ও রাজনীতি

বিদেশি ভাষা ব্যবহারে জাতীয় ভাষানীতি অবলম্বন করতে হবে

অভ্যন্তরীণ ও আন্তঃরাষ্ট্রিক ঘাত-প্রতিঘাত ও সংশ্লেষণের মধ্য দিয়ে রাষ্ট্র গতিশীল থাকে। রাষ্ট্রের অভ্যন্তরে উপজাতি, ধর্মীয় সম্প্রদায়, বিশেষ আঞ্চলিক বৈশিষ্ট্য-সম্পন্ন জনগোষ্ঠী, ভাষাগত পার্থক্য ইত্যাদিকে কেন্দ্র করে আলাদা আলাদা জনগোষ্ঠী দেখা দেয়। রাষ্ট্রের জনপ্রকৃতিতে বিরাজ করে বৈচিত্র্য। বৈচিত্র্যর স্বীকৃতি দিয়ে, বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্য ও সমন্বয়- এই নীতি অবলম্বন করে সরকারকে রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ জনপ্রকৃতির বৈচিত্র্যগত সমস্যার সমাধান করতে হয়। সংস্কৃতির বহুত্ববাদের (Pluralism in culture) কথা বলে জাতির ভেতরে অনৈক্য সৃষ্টি করলে জাতি টেকে না। তাতে রাষ্ট্রের অস্তিত্বের শর্তও নষ্ট হয়।

ভাষা আন্দোলনের ৭২ বছরে দাঁড়িয়ে আক্ষেপ কেন করতে হবে!
ভাষা আন্দোলনের ৭২ বছরে দাঁড়িয়ে আক্ষেপ কেন করতে হবে!

দেশ ও রাজনীতি

ভাষা আন্দোলনের ৭২ বছরে দাঁড়িয়ে আক্ষেপ কেন করতে হবে!

ভাষা আন্দোলনের ৭১ বছরে দাঁড়িয়ে আক্ষেপ নিয়ে বলতে হচ্ছে, স্বাধীন দেশে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে যে মর্যাদা বাংলার পাওয়ার কথা, তা সে পায়নি। বাংলা যে আজও তার সঠিক মর্যাদায় অধিষ্ঠিত হতে পারল না, এর পেছনে দেশে একই সঙ্গে তিন ধারার শিক্ষাব্যবস্থা বর্তমান থাকা, উচ্চ আদালতে বাংলা ভাষার ব্যবহার না হওয়া, সর্বস্তরে বাংলা ভাষার প্রয়োগের কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়া ইত্যাকার নানাবিধ কারণের কথা বলা যাবে। তবে মূল কারণ অন্বেষণের জন্য আমাদের আরেকটু গভীরে তাকাতে হবে।

সংবিধান নিয়ে কাউকে ছেলেখেলা করতে দেয়া যাবে না
সংবিধান নিয়ে কাউকে ছেলেখেলা করতে দেয়া যাবে না

দেশ ও রাজনীতি

সংবিধান নিয়ে কাউকে ছেলেখেলা করতে দেয়া যাবে না

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগ ও দেশ ছেড়ে চলে যাওয়ার পর যে রাজনৈতিক শূন্যতা সৃষ্টি হয় তার পরিপ্রেক্ষিতে ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করে।

সোজা কথায় মার্কিন প্রেসিডেন্টের কর্মপদ্ধতি
সোজা কথায় মার্কিন প্রেসিডেন্টের কর্মপদ্ধতি

কূটনীতি

সোজা কথায় মার্কিন প্রেসিডেন্টের কর্মপদ্ধতি

যুক্তরাষ্ট্র এখন পর্যন্ত বিশ্বের সবচেয়ে বড় সুপার পাওয়ার এতে কারও কোনো সন্দেহ নেই। তাকে ম্যাকডোনাল্ড আইল্যান্ড, চুখোতকা অখরুক থেকে শুরু করে এশিয়া, আফ্রিকা, ইউরোপ, ল্যাটিন আমেরিকা পর্যন্ত নজর রাখতে হয়। ওই যে দুটি অতি ক্ষুদ্র দূরদ্বীপের নাম বললাম, আমরা সাধারণ মানুষ তো দূরের কথা, হয়তো আমাদের ফরেইন অফিসও জানে না; কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের জানতে হয়। ওইসব স্থানের অর্থনীতি, কৌশলগত অবস্থান, বেনিফিট সম্পর্কে নিয়মিত পলিসি অবলম্বন করতে হয়।

তিস্তা কর্মসূচি নিয়ে আলজাজিরায় প্রতিবেদন
তিস্তা কর্মসূচি নিয়ে আলজাজিরায় প্রতিবেদন

দেশ ও রাজনীতি

তিস্তা কর্মসূচি নিয়ে আলজাজিরায় প্রতিবেদন

পানির ন্যায্য হিস্যার দাবিতে আজ মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) তিস্তাপাড়ে লাখো মানুষের ঢল নেমেছে। তিস্তার পানির ন্যায্য হিস্যা আদায় ও তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবিতে সোমবার থেকে ৪৮ ঘণ্টার কর্মসূচি শুরু হয়েছে। গতকাল তিস্তা নদীবেষ্টিত পাঁচটি জেলার ১১টি স্থানে একসঙ্গে অবস্থান কর্মসূচি পালিত হয়। বিএনপির নেতাকর্মীদের পাশাপাশি নদীপাড়ের হাজারো বাসিন্দা কর্মসূচিতে অংশ নেন। কর্মসূচিতে যোগ দেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারাও। মঙ্গলবার সকাল পৌনে ১১টার দিকে তিস্তা সেতুর লালমনিরহাট পয়েন্ট থেকে কাউনিয়া অভিমুখে গণপদযাত্রা শুরু হয়। দুপুর পৌনে ১২টার দিকে তিন কিলোমিটার দূরে কাউনিয়া উপজেলায় গিয়ে পথযাত্রা পৌঁছায়।

ঐকমত্য তৈরি না হলে সংস্কার বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠবে
ঐকমত্য তৈরি না হলে সংস্কার বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠবে

দেশ ও রাজনীতি

ঐকমত্য তৈরি না হলে সংস্কার বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠবে

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন এই সরকার একটি কঠিন সময়ে ক্ষমতা গ্রহণ করেছিল। তবে তাদের প্রতি একনিষ্ঠ সমর্থন জানিয়েছে ছাত্র-জনতা ও প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো। এই সরকারের কাছ থেকে জনগণের প্রত্যাশার মাত্রা অনেক উচ্চ ছিল, যা পূরণ করা স্বভাবতই অনেক কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। প্রশাসনে কিছুটা অদক্ষতা ও দুর্বলতা দেখা গেলেও, মূলত আগের সরকারের ব্যাপক দুর্নীতি, অনিয়ম ও গুরুত্বপূর্ণ সরকারি সংস্থাগুলোকে পঙ্গু করে রেখে যাওয়ার প্রবণতার কারণেই অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এসব প্রত্যাশা পূরণে পুরোপুরি সক্ষম হতে পারেনি।

‘মব ডেভিলদের’ থামান
‘মব ডেভিলদের’ থামান

রাজনীতি ও জনপ্রশাসন

‘মব ডেভিলদের’ থামান

দায়িত্ব নেয়ার পরদিন থেকে মব ও আন্দোলন মোকাবিলা করছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। তাতে সফলতা যে খুব একটা নেই, তার সর্বশেষ উদাহরণ অমর একুশে বইমেলা। সব্যসাচী প্রকাশনীর স্টলে ‘বিতর্কিত’ লেখক তসলিমা নাসরিনের বই রাখার অভিযোগে সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) একদল বিক্ষুব্ধ লোকের রোষানলে পড়েন শতাব্দী ভব নামে একজন লেখক। পুলিশের সাহায্যে মেলা থেকে বের করে নেয়া হয় তাকে। এ সময় প্রকাশ্যে লেখককে ক্ষমা চাইতে হয়। এর পরপরই সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেয়া হয় স্টলটি। বাংলা একাডেমি কর্তৃপক্ষ জানায়, সাময়িক বন্ধের পর স্টলটি খুলে দেয়া হয়েছে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে টাস্কফোর্সের সভার পরে। গণমাধ্যমের খবর বলছে, তসলিমা নাসরিনের বই বিক্রি করা দেখে সব্যসাচীর স্টলে ভিড় করে একদল লোক। লেখক শতাব্দী ভব তখন সেখানেই বসেছিলেন।

তারেক রহমানকে জনতা তাদের হৃদয়ে নায়ক হিসেবে স্থান দিয়েছেন
তারেক রহমানকে জনতা তাদের হৃদয়ে নায়ক হিসেবে স্থান দিয়েছেন

রাজনীতি ও জনপ্রশাসন

তারেক রহমানকে জনতা তাদের হৃদয়ে নায়ক হিসেবে স্থান দিয়েছেন

রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর দেশের ক্রান্তিকালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেন। ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে জাতির প্রয়োজনে বিএনপির আত্মপ্রকাশ হয়েছিল। এর মাধ্যমে তখন গণতান্ত্রিক রাজনীতি প্রতিষ্ঠা ও রাজনৈতিক শূন্যতা পূরণ হয়। বিএনপি প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তা ও অন্তর্নিহিত উদ্দেশ্য অনুধাবন করতে হলে দল প্রতিষ্ঠার প্রেক্ষাপট নিয়ে আলোচনার প্রয়োজন।

সবজির মূল্যে ধস: উদ্বিগ্ন কৃষক
সবজির মূল্যে ধস: উদ্বিগ্ন কৃষক

রাজনীতি ও জনপ্রশাসন

সবজির মূল্যে ধস: উদ্বিগ্ন কৃষক

গত পঞ্জিকা বর্ষে দীর্ঘতম খরা, পরবর্তী বন্যা ও অতিবৃষ্টির কারণে শাকসবজির উৎপাদন ব্যাহত হয়েছিল। অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গিয়েছিল মূল্য। পরে কৃষকদের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলে আশানুরূপ উৎপাদন সম্ভব হয়েছে। এখন সবজির ভরা মৌসুম। বাজারে শীতের সবজির বিপুল সমারোহ। হরেক রকম সবজির বৈচিত্র্যময় পসরা সাজিয়ে বসেছেন দোকানিরা। সরবরাহ বাড়ছে প্রতিদিন। ক্রমেই হ্রাস পাচ্ছে সবজির দাম। এখন সব ধরনের সবজির দামই ভোক্তাদের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে চলে এসেছে।

মানুষ নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে চায়
মানুষ নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে চায়

রাজনীতি ও জনপ্রশাসন

মানুষ নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে চায়

দেশের সাধারণ নাগরিক এমন একটি সরকার ও সরকার ব্যবস্থা চায়, যারা জনমানুষের কল্যাণে দায়িত্ব পালন করবেন। সরকার হচ্ছে জনগণের পক্ষ থেকে রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত একটি প্রতিষ্ঠান। একটি সরকার যে দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করে, তার ভিত্তিতে রাষ্ট্র পরিচালনা করে। আমাদের দেশের বিদ্যমান সংবিধান মোতাবেক জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত রাজনৈতিক দলই দেশ শাসন করবে। রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসীন হবার জন্য একমাত্র বৈধপথ হচ্ছে জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হওয়া। যে দল জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের সমর্থন পাবে তারাই রাষ্ট্র পরিচালনা করবে- এটাই প্রত্যাশিত। একটি রাজনৈতিক দল যখন নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে তখন জনগণের কাছে অঙ্গীকার করে তারা নির্বাচিত হলে কি কি কাজ করবে। জনগণ রাজনৈতিক দলগুলোর নির্বাচনি অঙ্গীকার বিবেচনায় নিয়ে তাদের সমর্থন

ট্রেন্ডিং ভিউজ