‘সাইবার ও ব্যক্তিগত উপাত্ত সুরক্ষা’ অধ্যাদেশ নিয়ে জিএনআই ও আর্টিকেল নাইনটিনের উদ্বেগ
বাংলাদেশের সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশের খসড়া ও ব্যক্তিগত উপাত্ত সুরক্ষা অধ্যাদেশের খসড়া নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্লোবাল নেটওয়ার্ক ইনিশিয়েটিভ (জিএনআই)। একই সঙ্গে, সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশের খসড়ার উদ্বেগ জানিয়ে তা আইনে রূপ দেয়ার আগে সংশ্লিষ্ট অংশীদারদের সঙ্গে অর্থবহ এবং কার্যকর আলোচনার আহ্বান জানিয়েছে আর্টিকেল নাইনটিন।
সোমবার (৩ ফেব্রুয়ারি) জিএনআইয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এই উদ্বেগ জানানো হয়। জিএনআই মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষার লক্ষ্যে কাজ করছে। এই প্ল্যাটফর্মটি বিশ্বব্যাপী শতাধিক প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠান, বিনিয়োগকারী, নাগরিক সমাজ ও শিক্ষক-গবেষকদের নিয়ে গঠিত।
জিএনআইয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে সাম্প্রতিক নিয়ন্ত্রণমূলক উদ্যোগে— বিশেষ করে ব্যক্তিগত উপাত্ত সুরক্ষা অধ্যাদেশের খসড়া এবং সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশের খসড়ায় স্বচ্ছতা এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের অংশগ্রহণের ঘাটতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।
এছাড়া, এই দুই অধ্যাদেশের খসড়ায় স্বচ্ছতা ও অংশগ্রহণের ঘাটতি পূর্ববর্তী সরকারগুলোর নিয়ন্ত্রণমূলক পদক্ষেপের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। এটি নির্বাহী ক্ষমতার অত্যধিক ব্যবহার সংক্রান্ত সমস্যা আরও বাড়ানোর ঝুঁকি সৃষ্টি করে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, অনলাইন সার্ভিস প্রোভাইডারদের ওপর টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা এবং জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর অনিয়ন্ত্রিত ক্ষমতা প্রয়োগের চর্চা যথাযথভাবে সমাধান করতে ব্যর্থ হয়েছে প্রস্তাবিত অধ্যাদেশগুলো। একই সঙ্গে, এটি বাংলাদেশের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং ব্যক্তিগত গোপনীয়তার ওপর গুরুতর হুমকি সৃষ্টি করছে।
এদিকে, আর্টিকেল নাইনটিনও এই অধ্যাদেশের খসড়া নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে। তারা বলেছেন, সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশের খসড়া আইনে পরিণত করার আগে সংশ্লিষ্ট অংশীদারদের সঙ্গে অর্থবহ আলোচনা করা উচিত।
এই অধ্যাদেশটি অস্পষ্টতার কারণে অপব্যবহারের সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে এবং এটি স্বাধীন সাংবাদিকতা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে, এমন আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।
মতামত দিন
মন্তব্য করতে প্রথমে আপনাকে লগইন করতে হবে