মিয়ানমারে ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ২৭১৯, খাবার-পানি-আশ্রয় সংকট
মিয়ানমারে শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে দাঁড়িয়েছে দুই হাজার ৭১৯ জনে। এ পর্যন্ত চার হাজার ৫২১ জন আহতকে উদ্ধার করে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। এখনো নিখোঁজ ৪৪১ জন।
রয়টার্স জানায়, সহায়তা গোষ্ঠীগুলো বলছে, যারা বেঁচে আছেন তাদের নেই কোনো আশ্রয়, খাদ্য ও পানি। দেশটিতে গৃহযুদ্ধের ফলে সহায়তা ঠিকমতো পৌঁছানো যাচ্ছে না।
হতাহতের সংখ্যা জানিয়ে মঙ্গলবার (১ এপ্রিল) টেলিভিশন ভাষণে মিয়ানমারের সেনাপ্রধান মিন অং হ্লাইং বলেন, ধারণা করা হচ্ছে, এই সংখ্যা তিন হাজার ছাড়িয়ে যাবে।
শুক্রবার (২৮ মার্চ) স্থানীয় সময় দুপুর ১২টা ২০ মিনিটের সাত দশমিক সাত মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে মিয়ানমারে। এর কেন্দ্রস্থল ছিল দেশটির রাজধানী নেপিদো থেকে প্রায় ১০০ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমের শহর সাগাইং থেকে ১৬ কিলোমিটার দূরে।
প্রথম ভূমিকম্পের মাত্র ১২ মিনিট পরই ৬.৪ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্প আঘাত হানে, যা আশপাশের এলাকাগুলোতেও প্রবল কম্পন সৃষ্টি করে। এরপর আরও বেশ কয়েকটি আফটার শক অনুভূত হয়।
প্রথম ভূমিকম্পটির তীব্রতা এতোটাই বেশি ছিল যে, এর প্রভাব অনুভূত হয় প্রতিবেশী বাংলাদেশ, চীন, থাইল্যান্ড এবং ভিয়েতনামেও।
ভয়াবহ এই কম্পনে মিয়ানমারের ঐতিহাসিক সাগাইং সেতু ধসে পড়েছে। এছাড়া মান্দালয়, নেপিদো, পিনমানা, অউংবান ও ইনলে অঞ্চলে বেশ কয়েকটি ভবন ভেঙে পড়েছে।
ইয়াঙ্গুন-মান্দালয় এক্সপ্রেসওয়ের ওপর অবস্থিত দোথেতাওয়াদি সেতুও ভেঙে গেছে। এছাড়া ৩৬২ মাইল দীর্ঘ এই এক্সপ্রেসওয়ের বেশ কয়েকটি অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যার ফলে কিছু রাস্তায় যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।
মতামত দিন
মন্তব্য করতে প্রথমে আপনাকে লগইন করতে হবে