অমর একুশে বইমেলা ২০২৫
মেলায় বই বিক্রিতে ‘চরম হতাশ’ প্রকাশকরা
অধিকাংশ প্রকাশক বলছেন, গত বছরের তুলনায় বিক্রি এবার প্রায় অর্ধেক। করোনার সময়ও এর চেয়ে বেশি বই বিক্রি হয়েছে। মেলার শেষ দিন শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) প্রকাশক-লেখকরা বই বিক্রিতে হতাশার কথা জানিয়েছেন।
একজন প্রকৃত লেখকের নির্দিষ্ট কোনো ফরমেটে আটকে থাকা ঠিক নয়
এবারের বইমেলায় প্রকাশিত হয়েছে কবি ও কথাসাহিত্যিক জব্বার আল নাঈমের কাব্যগ্রন্থ ‘আত্মার আওয়াজ’। জুলাই গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী এবারের বইমেলার আয়োজন, দেশের চলমান রাজনীতি, সাহিত্য ভাবনা ইত্যাদি নিয়ে কথা হয়েছে তার সঙ্গে। ভিউজ বাংলাদেশের পক্ষ থেকে কথা বলেছেন মাহফুজ সরদার।
বইমেলায় টংক আন্দোলনের কুমুদিনী হাজং স্মরণানুষ্ঠান
ঔপনিবেশিক জুলুমবিরোধী কৃষক আন্দোলনের এক সংগ্রামী নেত্রী কুমুদিনী হাজং। তিনি ঔপনিবেশিক শাসন, বৈষম্য, সার্বভৌমত্ব, আত্মপরিচয়, ন্যায্য মজুরি, কৃষি, ভূমি, অরণ্য কিংবা সমাজ রূপান্তরের প্রশ্নগুলো জারি রেখে লড়াই চালিয়ে গেছেন।
বইমেলায় নজর কেড়েছে গণঅভ্যুত্থানের স্লোগানগুলো
অমর একুশে বইমেলা ২০২৫ এ দর্শনার্থীদের কাছে দারুণ নজর কেড়েছে ২০২৪ সালে ঘটে যাওয়া বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় গণঅভ্যুত্থানের বিভিন্ন স্লোগান সংবলিত পোস্টারগুলো। শাহবাগ মোড় থেকে শুরু করে বাংলা একাডেমি ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের বিভিন্ন পয়েন্টে গণঅভ্যুত্থানের স্লোগান সংবলিত পোস্টারগুলো সাঁটাতে দেখা যায়।
বইমেলায় একটি পোস্টার ঘিরে কেন এত বিতর্ক
অমর একুশে বইমেলা ২০২৫ উপলক্ষে ‘৫২-এর চেতনা ২৪-এর প্রেরণা’ স্লোগান লেখা একটি পোস্টার ঘিয়ে শুরু হয়েছে তীব্র আলোচনা-সমালোচনা। টিএসসি থেকে দোয়েল চত্বর পর্যন্ত কয়েকটি জায়গায় লাগানো হয় পোস্টারটি।
বইমেলায় কবি নির্মলেন্দু গুণের ‘আই লাভ ইউ’
এই উপন্যাস নিয়ে ফেসবুকে গুণ লিখছেন, ‘১৭৪ পৃষ্ঠার এই উপন্যাসটি রচনা করতে আমার ৫০ বছর লেগেছে। চারটি প্রকাশনী থেকে এই গ্রন্থটি একুশের বইমেলায় প্রকাশিত হচ্ছে।’
বইমেলায় কবি হেলাল হাফিজকে স্মরণ
অমর একুশে বইমেলা ২০২৫-এর দ্বিতীয় দিনে স্মরণ করা হয়েছে সদ্যপ্রয়াত প্রেম, দ্রোহ ও মানবতার কবি হেলাল হাফিজকে। রোববার (২ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টায় বইমেলার মূলমঞ্চে সূচনা সংগীতের মধ্য দিয়ে এ কবিকে নিয়ে আলোচনা সভা শুরু হয়।
অমর একুশে বইমেলা: বঙ্গবন্ধু সম্পর্কিত বই নিয়ে এবার কী হবে?
বাঙালির প্রাণের মেলা ও প্রাণের উৎসব বললে যে দুটি আয়োজনের কথা আমাদের চোখে ভাসে, তার একটি অমর একুশে বইমেলা- যেটি প্রতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসজুড়ে চলে বাংলা একাডেমি এবং সংলগ্ন সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে। অন্যটি পয়লা বৈশাখ। পয়লা বৈশাখের কিছু আয়োজন নিয়ে রাজনৈতিক ও সামাজিক বিভিন্ন গোষ্ঠীর মধ্যে মতভিন্নতা থাকলেও বইমেলার প্রশ্নে কোনো বিভক্তি নেই। কেননা এই আয়োজন ও উৎসবের সঙ্গে কোনো ধর্ম বা রাজনীতির গন্ধ নেই। বইমেলার ভেতরে মাঝে-মধ্যে কিছু রাজনৈতিক গন্ধ ছড়ানো হলেও বা যখন যে সরকার ক্ষমতায় থাকে তাদের কিছু প্রভাব থাকলেও সামগ্রিকভাবে বইমেলাকে দল-মত-ধর্ম ও বয়স নির্বিশেষে সব মানুষের প্রাণের মেলা বলে স্বীকার করে নিতে কারো দ্বিধা নেই। এমনকি একুশের চেতনায় গড়ে ওঠা এই আয়োজনকে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সাংস্কৃতিক উৎসব বললেও ভুল হবে না।
বইমেলায় পাণ্ডুলিপি যাচাইকে ‘পুলিশি হস্তক্ষেপ’ বলছেন লেখক-প্রকাশকরা
রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আজ শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) থেকে শুরু হচ্ছে অমর একুশে বইমেলা ২০২৫। এবারের বইমেলার মূল প্রতিপাদ্য- ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান: নতুন বাংলাদেশ নির্মাণ।’
মুক্তবুদ্ধি চর্চার প্রেরণা সৃষ্টি করুক অমর একুশে বইমেলা
শিক্ষাদীক্ষা-শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতি ও মুক্তবুদ্ধির চর্চায় বাঙালি মুসলমান সমাজ যে অনেক পিছিয়ে আছে এটা প্রথম গভীরভাবে উপলব্ধি করেছিলেন শিখা গোষ্ঠীর লেখকরা। তাই তারা গত শতাব্দীর ত্রিশের দশকের মাঝামাঝি গড়ে তোলেন বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন। ‘মুসলিম সাহিত্য সমাজ’-এর ব্যানারে এই আন্দোলনে উদ্যোগী ভূমিকা পালন করেন আবুল হুসেন, কাজী আবদুল ওদুদ, কাজী মোতাহার হোসেন, মোতাহের হোসেন চৌধুরী, কাজী আনোয়ারুল কাদীর, আবদুল কাদির, আবুল ফজল প্রমুখ চিন্তাবিদ। তাদের অমোঘ মন্ত্র ছিল- ‘জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব’।